“ব্যক্তিই কোনো একদিন কবি হয়ে ওঠে”
ত্রিপুরার সাহিত্য তাঁর নখদর্পণে । ত্রিপুরার
সাহিত্যের বিকাশ তাঁর চোখের সামনে । সম্পাদনা তাঁর প্রিয় কাজ । তবে তিনি কবিতায়
রেখে গেছেন তাঁর প্রতিভার ছাপ । তাঁর সাথে একান্ত আলোচনায় তমালশেখর দে ।
প্রশ্ন ঃ " ঘুম নেই
অরণ্যচোখে"-কাব্যগ্রন্থের ৪১ বছর পেলাম আপানার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘পরাজয়
টেনেছে বহুদূর’। এত দীর্ঘসময় কবি-সত্ত্বাকে সামলে রাখলেন কি করে? মধ্যের
সময়টাকে কীভাবে মূল্যায়ন করতে চাইবেন ?
উত্তর ঃ দুই কাব্যগ্রন্থের মাঝে যে চারটি দশক কেটে গেছে তা নিজেকে বঞ্চনার এবং ক্রমাগত দায়িত্ব পালনের সময় । পেশাগত দায়িত্ব এবং সংসারের দায়িত্ব। বহুজন এইসব দায়িত্ব পালনের পরেও সৃষ্টিশীল থাকতে পেরেছেন বা এখনো পারছেন। আমি পেরে উঠিনি। না-পারার অনেক কারণ ছিল, যা অন্যদের হয়তো ছিল না। কিন্তু সৃষ্টির অস্থিরতা একেবারে ছেড়ে যায়নি কখনো। প্রবল পীড়নের মধ্যেও তাকে অনুভব করেছি। লেখ্যরূপ দিতে পারিনি সবসময়, কখনো হয়তো দিয়েছি। গ্রামীণ ব্যাঙ্কে চাকরির সূত্রে ঘুরেছি ত্রিপুরার উত্তরতম প্রান্ত থেকে দক্ষিণতম প্রান্ত। মানবীয় চরিত্রের কুৎসিত রূপ যেমন দেখেছি, তার মহত্তম ছবিও অন্তরের ডাকে পাশে টেনে নিয়েছে। দামছড়ায় যেমন সেই প্রৌঢ় জন যিনি আমার রাত্রিবাসের প্রবল অসুবিধা উপলব্ধি করে নিজের বড় ছেলেকে রাজি করিয়েছিলেন তার থাকার ঘরটি আমার জন্য ছেড়ে দিতে। চমকিত হয়েছিলাম, বাক রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।
আবার স্বার্থান্ধ জীবের সাক্ষাতও কম ঘটেনি। মাতৃদশার সময়ে ছুটিতে ছিলাম বলে কাজ জমে গিয়েছিল বহু। শ্রাদ্ধ ইত্যাদি শেষে খয়েরপুরে ব্যাঙ্কের কাজে যোগ দিয়েছি যেদিন, বিকেলেই এক মাতব্বর লোক এসে জানতে চাইলেন তার ফিসারি ঋণটি আর কত দেরি হবে। তাকে আমার শোকগ্রস্ততার কথা জানিয়ে কয়েকটা দিন অপেক্ষার কথা বলতে উত্তর পেয়েছিলাম, "আপনের মা মরছে তো আমি কিতা করতাম!"
এভাবেই, মানুষ দেখতে দেখতে কলমও কখনো লিখেছে কিছু। ছুটে বেড়ানোর দিনগুলিতে হারিয়ে গিয়েছে তার অনেক, কিছু ঠাঁই পেয়েছে 'পরাজয়....'-এ। মানুষকে দেখার এই বিস্তৃত পরিসর সৃষ্টিশীল কাজে ঠিকভাবে নিয়োজিত করতে পারিনি সৃজনশীলতায় নিজেরই অক্ষমতার কারণে। অন্তর্দহন থাকলেও তার রূপ লেখায় ফোটাতে পেরেছি খুব কম। সে সীমাবদ্ধতা একান্ত আমারই।
প্রশ্ন ঃ ‘চুক্তি ক’রেই তোমার বুকে/ শালুক পাতা
কাঁপে/ চুক্তি ক’রেই চোখের কাজল/ বে-হিসেবি মাপে’— সম্পর্কের নিবিড়তা থেকে সরে পড়ার কেন্দ্র-বোধ বা
বেদনা-বোধই আপনার কবিতার কেন্দ্রবিন্দু।আপনি কি বলবেন ?
উত্তর ঃ এই প্রশ্নের উত্তরে কী আর বলা যায়! সংসারে
প্রবলতম চাপে যেমন ছিলাম, মানবিক সম্পর্ক নিয়েও একটা দীর্ঘ সময় কঠিনতম টানাপোড়েনে
কাটিয়েছি। ভালোবাসতে এবং ভালোবাসা পেতে যে উন্মুখ অপেক্ষা ছিল, তার বিপরীতে বেদনাবিন্দুই গ্রাস করে নিয়েছে অনন্ত সময়। সম্পর্ককে নিবিড় করে
তুলতে না-পারাই জন্ম দিয়েছে 'চুক্তি'র মতো কবিতার যা আজও আপন অন্তরকে কম্পিত করে ভালোবাসার
আর্তিতে। যে কবিতাটির চার লাইন উদ্ধৃত করে তোমার এই প্রশ্ন, তার শেষ দুটি লাইন হল : "চুক্তি করেই ভালোবাসায়/ চুক্তি ছিলো কবে? " আমাদের সমাজে
যে বিবাহপ্রথা প্রচলিত আছে তা পরিষ্কার এক চুক্তি। এই চুক্তিতে যৌনতার স্বীকৃতি
আছে, বাধ্যবাধকতা আছে, পরস্পর নির্ভরতাও
অনেকখানি আছে। মন্ত্রে "যদিদং হৃদয়ং তব তদিদং হৃদয়ং মম" উচ্চারিত হলেও
খুব কম ক্ষেত্রেই হৃদয়ের এই সংযোগটুকু ঘটে। এবং এই সংযোগটুকু ঘটে না বলেই সমাজ আজ
এই হৃদয়হীন অবস্থা প্রাপ্ত হয়েছে। জনসংখ্যাকে যদি তুমি ফসল হিসাবে গণ্য কর তবে
দেখতে পাবে বিরাট অংশই যৌনতার ফসল মাত্র। প্রেম বা ভালোবাসা বা হৃদয় সংযোগের ফসল
পাবে কম। সবচেয়ে উন্নত মানবসম্পদ উৎপন্ন হয় তখনই যখন প্রেম প্রস্তুতি ও প্রার্থনা ব্যক্তিদ্বয়ের
মধ্যে সমভাবে জাগ্রত হয়ে ওঠে।
'বিবাহ' নামক চুক্তির মাধ্যমে ভালোবাসা সামান্য কিছু ক্ষেত্রে
জাগতে পারে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নয়। ভালোবাসা কার সঙ্গে কবে কোথায়
কীভাবে জেগে উঠবে তা সংজ্ঞায়িত করা অসম্ভব। বিবাহ একটি পন্থা মাত্র, চূড়ান্ত বা একমাত্র কখনোই নয়।
প্রশ্ন
ঃ ‘পরাজয় টেনেছে বহুদূর!/পরাজয় বেজেছে এত সুর’ — নিজেকে এতটা পরাজিত কোন প্রেক্ষিতে মনে হয়? এই পরাজয় কবি মানস পালের , না, ব্যক্তি
মানস পালের--
উত্তর ঃ ব্যক্তিই কোনো একদিন কবি হয়ে ওঠে। সব কবিই
প্রথমে এক ব্যক্তি, যদিও সব ব্যক্তিই শেষ
পর্যন্ত 'কবি' হয়ে থাকে না।
তাই ব্যক্তির হতাশা, বেদনা, দু:খ, পরাজয় তার
কবিসত্তাতেও সংক্রমিত হয়। যে পরাজয় কবিতায় উল্লেখিত, ব্যক্তিমানস থেকেই তা কবিমানসে সংক্রমিত। এখানে ভিন্নতার রেখা আদৌ কি টানা
সম্ভব?
আমি কিন্তু এর উত্তর ইতিবাচক হতে পারে বলে
মনে করি না। কেন এতটা পরাজিত জানতে চাইছো? যেদিন বোধ জন্ম নিয়েছে আমার মধ্যে, আমি পরাজয়ের মধ্যেই নিজেকে দেখতে পেয়েছি বার বার। শুরুর কথা যদি বলি, আমার মা। সমগ্র পরিবারটির সুখের জন্য হাসিমুখে যে কঠোর
পরিশ্রম তিনি করে গেছেন, পাশাপাশি যে
নির্যাতন তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে, কাছে থেকেও, পাশে থেকেও, তার কিছুই লাঘব করতে পারিনি আমি। পরাজয়ের শুরু সেই থেকে।
সবচেয়ে কাছের মানুষ
যার হওয়ার কথা ছিল, সবচেয়ে বড় বিপন্নতা
এসেছিল তারই কাছ থেকে। পরিবার, নিকটাত্মীয়, পরিচিত, অপরিচিত
মানুষের ভীড় সামাল দিতে দিতে নিজের শরীরের অস্তিত্ব যখন শেষের সংকেত বার্তা দিচ্ছে, তখনো মা-কে দেখেছি সেবাপরায়ণা, সুখদাত্রী, প্রতিবাদের স্বর তুলতে চেয়েও পর্যুদস্ত।
আমি তো তাঁর পাশে
থেকেও তাঁর দু:খ বিমোচনে সক্রিয় হতে পারিনি! বরং, কখনও কখনও তাঁর সামান্যতম ইচ্ছার
মূল্য দিতেও ব্যর্থ হয়েছি। সে-ই তো জন্ম দিয়েছে সব পরাজয়ের। মায়ের বেদনার পারা দেখে
দেখে ক্ষোভের বারুদশালা তৈরি হয়েছে অন্তরে, প্রকাশ ঘটাতে পারিনি। এত গভীর এই পরাজয়ের অভিঘাত, কোনো অসম্ভব জয়ও তার কাছে তুচ্ছ হয়ে গিয়েছে। যার
মেরুদণ্ড শক্ত হওয়ার আগেই শীর্ষশক্তির চাপ তাকে ভেঙে দিতে চায়, জীবনে জয় তার আসে কোথা থেকে? ব্যক্তিকে অতিক্রম করে যেতে পারেনি কবিসত্তা। কবিতার
কাছেও তাই সে পরাজিত। পরাজয়ই মাথার মুকুট! সে মুকুটে আশীর্বাদ আছে কারো।
প্রশ্ন
ঃ ‘বনমালাকে দেখে জেগে উঠল তোমার স্মৃতি/ ঠিক
এরকমই কিশোরী ছিলে তুমি...’-- আপনার
কবিতায় রোমান্টিক প্রেম এত দুর্লভ কেন মনে হয়? সচেতনভাবেই
কি নিজেকে সামলে নেন -
উত্তর ঃ প্রেমের অভাব
তো আজ পৃথিবী জুড়ে! আর প্রেমের বর্ণভেদ জানো তো? এক মানুষের সঙ্গে এক মানুষীর যে প্রেম তা-ও সব ক্ষেত্রে রোমান্টিক হয়ে ওঠে
না। মানুষে-মানুষে প্রেম, এক মানুষীর
সনে আর এক মানুষীর প্রেম সে-ও তো আছে! আছে ঈশ্বরে প্রেম, আছে সর্বজীবে প্রেম। এই প্রেম শব্দটায় যে অসীমের অবকাশ
এবং মাধুর্যের অবস্থিতি, তার সংস্পর্শ
থেকে নিরন্তর দূরে সরে যাওয়া আমাদের, নতুন কিছু নয়। 'অসীম'কে যত সহজে লিখে ফেলা যায়, তাকে অনুভব কর । অনুভব করতে পারা ততই দুরূহ। এই অসীমের সঙ্গে প্রেমে কাঠখড়
অনেক বেশি পোড়াতে হয় বলে আমরা সহজ প্রেমের রাস্তা খুঁজি, যাকে তুমি উল্লেখ করতে চেয়েছ রোমান্টিক প্রেম বলে। আমার
তো কঠিন সাধনা করা হয়ে ওঠেনি, তা ওই সহজ পথে, কোনো মানুষীকে ভালোবাসার পথে বেশ কিছু বছরে বেশ কিছু পথ
হেঁটেছিলাম। তা আমার হাঁটাই সার হল। কত বিচিত্র অজুহাতে তারা আমার পথ থেকে সরে
গিয়েছে। এই ক্ষেত্রে সাফল্য পেতে কিছু উপযুক্ততা তো লাগে, সে যে অর্জন করা হয়নি আমার!
মৈত্রেয়ী দেবীর
"ন হন্যতে" নিশ্চয়ই তুমি পড়েছ। রোমান্টিক প্রেমের এর চেয়ে গভীর কাহিনি
বাংলায় আর পড়া নেই আমার। এমন সাহিত্য পেতে গেলে মানুষীর সাড়া বেশি প্রয়োজন হয়।
আমার মানুষীরা আমাকে মির্চা এলিয়াদ হয়ে ওঠার কোনো সুযোগই দেয়নি। তা, রোমান্টিক প্রেম আমার কবিতায় দুর্লভ তো হবেই!
প্রশ্ন
ঃ ‘আমি মৃত্যুকে দেখিয়ে এসেছি ডান
হাত/বাঁ-হাত রেখেছি জন্মকে দেখাবো বলে ।’— আপনার
এই দুই লাইনকে আপনি ব্যক্তিগতভাবে কীভাবে ব্যাখ্যা করতে চাইবেন ?
উত্তর ঃ তুমি কি কখনো "মৃত্যুজন্ম" লিখেছ বা
পড়েছ কোথাও কোনোদিন? পড়োনি। আমরা "জন্মমৃত্যু" বলাতেই অভ্যস্ত। অর্থাৎ জন্ম বাঁদিকে, মৃত্যু ডানে। এটাই চিরন্তন। আরও গভীর অর্থ যদি খোঁজ, জন্মের আধার মায়ের জঠর, অর্থাৎ মা,
সনাতন
ধর্ম মেনে সবসময় থাকেন বাবার বাঁদিকে। বাবার বাঁদিক থেকেই আমরা আসি, চলে যাই ডানদিকে। এই যাওয়া অনন্তের পথে। খেয়াল করে দেখো, আমাদের সব পারলৌকিক ক্রিয়া দক্ষিণমুখী। ডানহাতের কর্তব্য। পিণ্ড ডানহাতের
তর্জনী ও বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ-এর মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে বিসর্জন দিতে হয়, ডানদিকে।
প্রশ্ন
ঃ আজ টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট অনেক সময় কেড়ে নিচ্ছে।এই প্রসঙ্গে জানতে চাইছি, বই-র প্রকাশনা জগৎ কি সংকটের মুখোমুখি? ‘সৈকত প্রকাশনী’র কর্ণধার হিসেবে আপনার সম্ভাবনা, দুর্ভাবনা –
উত্তর ঃ প্রকাশনা জগতে
সংকট তো এসেই পড়েছে, এখনো আসছে বলা ভুল।
বিশেষ করে বাংলা ভাষার প্রকাশনা জগতে। আরও বিশেষ করে বললে, ভারতের বাংলা প্রকাশনা জগতে।
টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, ফেসবুক --- এসব তো
আছেই, এগুলোর চেয়েও অনেক বেশি করে আছে ভারতীয় বাঙালির
বাংলা-বিমুখতা। কবি-লেখকরা নিজেদের পকেটের টাকা খরচা করে কোনো প্রকাশকের মাধ্যমে
কয়েকশ বই বের করলেও কোনোদিন তাকে প্রকাশনার সাফল্য বলা যেতে পারে না। এর সবচেয়ে বড়
কারণ হল,
এইসব বই বিক্রি করতে পারার কঠিন দায়টি
প্রকাশকের একেবারেই থাকে না। কুড়ি-পঁচিশ কপি বিক্রি হলেই "যথেষ্ট"
শব্দটা মনে মনে এসে যায়। কারণ এর আর্থিক দায়ভার তো প্রকাশক নেননি! "একের বোঝা
দশের লাঠি" সূত্র ধরে কবি-লেখকরা নিজেরাই ভাগ করে নিয়েছেন সেই দায়।
তাই, এই বই বেরুনো দিয়ে প্রকাশনার ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত ইতিবাচক
কথা একেবারেই বলা যায় না। কলকাতার নামীদামী প্রকাশক এখন আধাপরিচিত কবিলেখকদের বই
ছাপছেন ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ কপি। ভাবা যায়! এটা আমার মনগড়া কোনো পরিসংখ্যান নয়।
খোদ "গাঙচিল"-এর মালিক অধীর বিশ্বাস গত নভেম্বরে আগরতলা পুস্তকমেলায় এসে
মঞ্চে বক্তৃতা করে একথা বলে গেছেন।
কলকাতা থেকে প্রকাশিত
বই বাংলাভাষী কত বড় অঞ্চলের বাজারটা পায় ভেবে দেখ! তার পরেও এই হাল! তিনি বলেছেন
১০০-র বেশি বই প্রথম মুদ্রণে সাধারণত এখন আর ছাপা হয় না। ট্রেসিং বা প্লেট যত্ন
করে রেখে দেওয়া হয়, ওই ১০০ বিক্রি হলে
আবার ১০০ বা ২০০ ছাপা হয়। বাজার বুঝে কাজ। এই হল ভারতীয় বাংলা বইয়ের বর্তমান হাল!
বাংলাদেশের অবস্থা অবশ্য অনেকটা ভিন্ন। সেখানে এখনো যে কোনো বই প্রথম মুদ্রণে ১১০০
ছাপা হয়। ভারতে বাংলা বইয়ের বাজার শেষ করে দিচ্ছে আমাদের "ইংলিশ
মিডিয়াম" প্রীতি। বাংলা গোপাল ভাঁড়
ইংরেজিতে ছাপা হলে এখন বিক্রি হয় বেশি। বাংলা ইস্কুলে পড়া মা বইমেলায় গিয়ে বা
পাড়ার আড্ডাতে একথা বলে এখন অনেক বেশি তৃপ্তি পান যে তার ছেলে বা মেয়েটি বাংলা
পড়তে পারে না। সেই বলাতেও আবার অহংকারের ঝাঁঝ থাকে প্রবল।
এর পরেও বাংলা
প্রকাশনা নিয়ে ভারতে এখনো যদি কেউ কেউ স্বপ্ন দেখতে পায় বা চায়, তবে তার কালোটাকার উৎস অবিলম্বে করা উচিৎ।

No comments:
Post a Comment