Wednesday, July 9, 2025

"ইনস্টিটিউশনের দিকে গুলি বেরোচ্ছে গ্যান পয়েন্ট থেকে!'" -- আলোচক গৌরব নাথ

                        "ইনস্টিটিউশনের দিকে গুলি বেরোচ্ছে গ্যান পয়েন্ট থেকে!'"

                               আলোচনা -- কবি গৌরব নাথ





'এই যে পেছন হাঁটছি,/এটা যুদ্ধ।/ এই যে তোমার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে আছি/এটাও যুদ্ধ।' 
 (যুদ্ধ, পৃ-১৬)

২০২৩ সালের অটল কবিতা উৎসবে প্রথম এই কবিতাটি শুনে আহা বলে চিৎকার দিয়ে উঠেছিলাম। চরম উত্তেজনায়। এখন বইয়ে কবিতাটি পড়ার পর কিন্তু সেই উত্তেজনা পেলাম না। ক্রাইসিসের সংযমী ও শান্ত রূপান্তর।

কোথাও একটা জায়গায় জন এফ কেনেডির একটা ইন্টারপ্রিটেশন পড়েছিলাম যে, চাইনিজ ভাষায় 'ক্রাইসিস' শব্দকে দুটো চরিত্রে দেখা হয়- এক ডেঞ্জার, আরেক সুযোগে হাতছানি। এমনকি নিৎশেও এভাবেই ক্রাইসিস-কে দেখতেন। আমাদের কবি তমালশেখর দে-র কবিতাযাপনে এই দুটোর সামঞ্জস্যই হয়ে ওঠে স্মর্তব্য। সাধারণত থিসিস-অ্যান্টিথিসিসের নিরন্তর প্রক্রিয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আসল ক্রাইসিসের অন্তর্দশন করতে দেয় না। সময়ের সেট-বিলিফ একে আচ্ছাদিত করে রাখে। তা-সত্ত্বেও একজন নিগূঢ় পাঠকৃতি-সম্পন্ন তথা সময়চেতা কবি সেক্ষেত্রে সিনথেসিস করেন। করতেই হয়! নিজের দিব্যদর্শন বা imagination-কে কাজে লাগিয়ে ভাষার symbolic প্রয়োগে দেখান ক্রাইসিসের বিভিন্ন প্যারাডক্সিক্যাল মুভমেন্টকে। ঠিক এভাবেই কবি তমালশেখর দে-এর বিগতকালীন দুটি কাব্যগ্রন্থের মধ্যে স্টাইলের ফারাকে ধরা পড়েছে ক্রাইসিসের বিভিন্ন ধরন। ফলত বিগত দুই বই প্রকাশের কালানুক্রমিক শৈলীতে কবির এই পরিবর্তন হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য। এজন্যই বলা যায়, কবি তমাল শেখর দে-র 'আই কান্ট ব্রিদ' এর দীর্ঘকবিতার মধ্যে একই কথার যে পলিফোনিক্যাল পথগুলো অভিব্যক্ত হয়েছিল তারই পরবর্তী এক ধৃতিসম্পন্ন নির্যাস যেন এই 'গ্যান-পয়েন্ট কবিতা সংকলন' সংকলন।

যে কবি এর আগের বই 'আই কান্ট ব্রিদ'-এ ক্রাইসিসকে লিখেছিলেন- 'আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না'-এর মতো কনফেশনে, সেই কবিই এই কাব্যে এসে বলেছেন-'ভাঙা দেওয়াল, আরও একটু ভেঙে দিয়ে/দেখছি চাঁদ'-(দারিদ্র্যবিলাস, পৃ-৫)। আহা, শব্দের সৌম্য প্রয়োগ! ক্লাসি! নিজেকেই চরম নির্ভীকতায় তীব্র ক্রাইসিসের সাথে জুড়ে দিলেন দেওয়াল চিহ্নায়কের প্রয়োগে। এরপরেই 'দেখছি চাঁদ' পদের সমন্বয়- Epic theatre এর মতো কবিতার দুটি প্লটকে গোটা দৃশ্যে পরিণত করেছে।

জাপানিজ আর্ট ফর্মে যেভাবে আলতো হাতে এক তুলির টান মোচড় দেয় আমাদের, এখানে প্রায় সেরকমই নরম টানে দীর্ঘ চিড় কেটেছেন কবি। এই দীর্ঘ জখমই এই কবিতার থেকে প্রাপ্ত সম্পদ। তাই বলি পোয়েট্রি সমান এক্সপেরিয়েন্স। তাছাড়া কবিতাটির নামের দিকে তাকালে এবং 'চাঁদ' শব্দের ব্যবহার প্রথমত চেতনাকে রোমান্টিক করে ঠিকই কিন্তু বস্তুত এর দ্যোতনা অস্ত্যর্থক ভঙ্গিতে আধ্যাত্মিক বস্তুবাদে গিয়ে পৌঁছায়। অবশ্য এরকম ডেস্টিনেশন দেখা যায় 'দুঃখ' কবিতায়ও, কবি বলেছেন-'আমার লালিত দুঃখগুলো যেন হারিয়ে না-যায়!' (পৃ-১০)। এখানে কবির সম্পদ হল সাবজেক্ট দুঃখ! বড় আপন করে বলেছেন 'আমার লালিত দুঃখগুলো' যেন নিজের সন্তানের মতো যত্নবান এই দুঃখের প্রতি কবি, যেন নিজের নিভৃতির আখ্যান, যেন নিজেই দুঃখ। এই তো হেটারোগ্লোসিয়া! 'নীরবতা' কবিতায়ও এই আত্মপীড়নমূলক বিরহের প্রকাশ দেখা যায়- 'আমি দুয়ার খুলে বসে আছি/ বিরহ, আমাকে রাঙাও। তোমার মতো রাঙিয়ে দিয়ে যাও/ কথা বলার মতো ঘরে কেউ অবশিষ্ট নেই!' (পৃ-৯)

বলা হয় সব কবিতাই বিরহের কবিতা। বিরহ ভালোবাসার একনিষ্ঠ সহযোগী সত্তা। তেমনি ভালোবাসা এবং রাগ এপিঠ ওপিঠের মতো। এজন্যই কবি রাগের কথা বলতে গিয়ে বলে ফেলেন ভালোবাসার কথা, অনুরাগের বাক্য। কবির কথায়-'তাকে আজ রাগের কথা বলতে গিয়ে ভালোবাসার কথা বলে ফেলেছি।' কবিতা পড়তে পড়তে ফিলিপ লাকুলাবার্তের একটি কথা মনে পড়ে যে 'It is always easy to mock 'distress', but we are its contemporaries...'। এই রেশেই কবি বলেন- 'বড় সহজে একটা দিন আমাকে অতিক্রম করে যায়/ একটা দিনকে আমি অতিক্রম করতে পারি না/ সারাজীবনের রাত যোগ করে।' (ব্যর্থতা, পৃ-৬) এই অতিক্রম না করতে পারা, অবজ্ঞা না করার অক্ষমতাই 'সারাজীবনের রাত' বিষয়-নিরূপককে উত্থিত করেছে। শব্দের কী দুরন্ত ব্যবহার। উফ। শিক্ষনীয়! সাবজেক্ট-বিধেয়-যুক্তির আবহে যেমন কবিতার পোক্ত গঠন তেমনি কাব্য-বিষয়ের গমন। শব্দ, বাক্যগঠন, পদ ও এদের অর্থযাত্রার প্রতি গভীর মনোযোগী কবি তমালশেখর দে-র কবিতার অ্যালগোরিদমিক মেথড লক্ষ করলে দেখা যায় ইদানীন্তন কবি হয়েও কবিতার লজিক্যাল সিকোয়েন্সকে তিনি আপন লয়ে রেখেছেন, কেবলমাত্র যে ইমোশনাল সিকোয়েন্সই প্রভুত্ব করবে, এমন তিনি করেননি।

এছাড়া, কবি মাত্রেই জানেন তার ব্যবহার্য শিল্প-মাধ্যমে কেবল শব্দ সকল অনুভূতিগুলোকে সর্বাঙ্গসুন্দরভাবে প্রকাশ করতে অক্ষম; তাই এই অপূর্ণতার বৈচিত্র্যে অস্তিত্বের মৌল উচ্চারণ ধ্বনিত করতে গেলে, এক্সপ্রেশনের অন্তর্নিহিত সীমা অতিক্রমের মাধ্যমে কবিতায় সঞ্চারিত করতে হয় গূঢ়তর ব্যঞ্জনা। ফলে গড়ে ওঠে সিনট্যাক্টিক্যাল আঙ্গিক। বলা যায় a language within a language। এভাবেই এই কবির কবিতাগুলোও বিচরণ করে শব্দের প্রয়োগিক সংকেতে। একটা কবিতা দেখা যাক-'এ যাত্রার কোনও শেষ নেই/ রাধা যখন ছুটে যায় কৃষ্ণের দিকে' (যাত্রা, পৃ-৩৭)। এই 'ছুটে যায়' শব্দ অনেকার্থে ছোটে। যদি ভাবি প্রেম, তাহলেও তীব্র
আশায় নিরন্তর গমনকে ইঙ্গিত করে; রাজনীতি ভাবলেও টার্গেট সেই নিরন্তর গমনই। স্বগত যাত্রা! সত্তা ও পরাসত্তার যাত্রাও হতে পারে।

পড়তে পড়তে একটা তুলনার কথা মাথায় এল। যে বিষয়গুলো প্রায় সময় আমাদের যন্ত্রণা দেয়, পীড়া দেয়, ঐ বিষয়গুলোকে সাধারণত আমরা উপেক্ষা করি, কেমন হবে যদি সেগুলো আমাদের জীবনের প্রতি নতুন কোনো আমন্ত্রণ হয়, কোনো মুক্তির পথ হয়, কোনো দরজা হয়। এই ব্যাপারেই Dr. Clarissa Pinkola Estes এর 'women who run with wolves' বইয়ে তিনি লিখেছিলেন, যদি মানুষের ভেতরে কোনো গভীর দাগ থাকে, যদি আপনার ভেতরে কোনো পুরোনো জমা কথা থাকে, যদি আপনি আকাশ নদী জল দেখে নিস্তব্ধ হোন আনন্দিত হোন কিংবা আপনার ভেতরে সহজ সুন্দর পূর্ণাঙ্গ জীবনের সতত তাড়না থাকে- তাহলে সেগুলো সবই একেকটা দরজা, মুক্তির পথ, বেঁচে থাকার জন্য জমায়েত আশার খুদকুড়ো। কবি তমালশেখর দে বলেন-'আমার এক ঝাঁক স্বপ্ন হঠাৎ ভেঙে পড়ার পর/ যে টুকরোগুলো বেঁচে থাকে,/ আমি তাদের জীবনানন্দের গল্প শোনাই/ বনলতার কথা বলি' (এক ঝাঁক স্বপ্ন, পৃ-৩৪) জীবন টোটালি একটা জীবন। কিন্তু যখন এর একেকটি সিন একেকটি কমপ্লিট সেন্স নিয়ে আসে, তখন একেকটি সিন জীবনের উপচিত্রমালা। কবির 'একঝাঁক স্বপ্ন' ভেঙে যাওয়া উপচিত্রের মতো সাপ্রেসিং, পীড়াদায়ক অসহায়ত্বই আমন্ত্রণ করেছে মুক্তির দরজা। যে টুকরোগুলো বেঁচে থাকে, সেই পদগুলোকে যদি এখানে সম্পূর্ণ একটা সাবজেক্ট ধরি, তাহলে এই সাবজেক্টকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে পরবর্তী দুটি লাইন। এই যে 'জীবনানন্দের গল্প শোনাই'- প্রেডিকেট পরবর্তী 'বনলতার কথা বলি' প্রেডিকেট-কে জাস্টিফাই করল, করে তাদের সাবজেক্টকে ঠিকানায় পৌঁছাল। ফলত খুলেছে বেঁচে থাকার নতুন দরজা। যা শেষপর্যন্ত পরাবাচনে গিয়ে ঠেকে।

চোখে পড়ে 'হঠাৎ একদিন' কবিতা। পড়ে দেখি-'কথা বলতে বলতে হঠাৎ একদিন দেখি/ ভালোবাসার শব্দগুলো কোলাহলহীন দমবন্ধ মাছের মতো।' (হঠাৎ একদিন, পৃ-৬)। প্রসঙ্গত মনে পড়ে ভাষা-দার্শনিক Marc Froment-Meurice-এর 'That is to say' বইয়ে original silence'-এর ব্যাখ্যা, 'Everything remains to be said, even in saying everything'। তেমনি আমরাও, সব কথার ভিড়ে ভালোবাসার কথাকে মোড়ক দিতে দিতে তার উন্মুক্ত ধ্রুপদি চলনকেই আবদ্ধ করে ফেলি। বেঁধে ফেলি। ভালোবাসার কথা আর কিছুই থাকে না। যেন আসলেই ভালোবাসার কথা বলিনি! কোনো কিছুই বলিনি। পরবর্তীতে আরেকটি কবিতায় কবি বলেন-'একদা যেখানে যুদ্ধ হয়েছিল/ আজ সেখানে ফুল হাত তুলে আছে।' আবার তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে শব্দের ব্যবহার। প্রায় বেশিরভাগ জায়গায়ই এমন। 'একদা' না বলে কবি 'এক সময়'ও বলতে পারতেন, কিন্তু বলেননি। কারণ এ শুধু গোটা কদিন বা বছর আগের নয়। এই 'একদা' কবির নিজের জীবনের আদি, এর থেকেও পুরোনো কয়েক জেনারেশন আগে। তবে কবি বলছেন 'ফুল হাত তুলে আছে'। ফুলের অবস্থাটা কেমন? কেন হাত তুলে আছে? অধিকার, সম্পূর্ণ স্বাধীনতা অস্তিত প্রকাশের দাবিতে? হয়তো সেটাই। ফলত চরম রাজনৈতিক চেতনা ধরা পড়েছে এখানে। কবি তমালশেখর দে-র কবিতায় তীব্র দাপট ও আত্মবিশ্বাসের খামতি নেই। যেমন রয়েছে বাক্যে, তেমনি রয়েছে ভাবে। কবি বলেন-'সব বিস্ফোরণ ভাঙা হবে একদিন।' (বিস্ফোরণ, পৃ-১১)। অথবা 'হাঁটু ভেঙেছি, ভাঙতে দাও।/ মাথা ভাঙতে দেবো না কোনোদিন।' (দৃঢ়তা, পৃ-৮)। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে এফেক্টিভ কথা। শুধুই কি এই সময়ের? না, কবি দু-এক খোঁচায় সময় থেকে সময়ান্তরের আবর্তিত বাচনকেও ধরেছেন। কবি বলেন- 'ছুরির মতো সম্ভাবনাময় নিখুঁত একটা সুযোগের জন্য/ আপনারা প্রার্থনা করুন।' কবি অপেক্ষমাণ। কিসের? সুযোগের। ঘুরে দাঁড়ানোর। ঐ যে আগে বলেছিলাম ক্রাইসিসের দুটি চরিত্রের একটি সুযোগ। এই তার মানসিক প্রমাণ। এই কবিতায় যেমন ধরা পড়েছে কবির ভদ্র ও সংযত রোষ, তেমনি খানিকটা শ্লেষও ধরা পড়েছে।

এরপর, আপাদমস্তক প্রেমিক মানুষ তমাল শেখর দে যখন প্রেম নিয়ে সরাসরি বললেন-'আমাদের গ্রামে কোথাও কোনো নদী নেই।/ তবু আপনাকে যখন দেখি, নদীর মতো তাকিয়ে থাকি।' (প্রেম, পৃ-১৩)। কবির এই 'আপনি'-টা কে? নদীটাই বা কী? সত্তা অপরসত্তা? নাকি কবি ও তার প্রেমিকা? আসলে দুই-ই এক।

প্রেম দাম্পত্য নিয়ে কবি প্রচুর লিখেছেন। বেশিরভাগ লেখায় বিষয় হয়ে এগুলোই এসেছে। আমার ব্যক্তিগতভাবে কবিতাগুলো পড়তে পড়তে কখনো কখনো এমন মনে হয়েছে, এই ধরনের লেখা একঘেয়েমি এনেছে। কিছুটা লঘু ব্যঞ্জনায় এই লেখাগুলো কাতরতা সৃষ্টি করে না। এই ধরনের অনুকবিতায় শব্দের একটু এদিক-সেদিক হলেই এপথ ওপথ করে ফলে, দিকভ্রান্ত ও রসভ্রান্ত করে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কবি তমালশেখর দে-এর সিদ্ধহস্তের কারণে কবিতাগুলো অসীমের যাত্রাতে সক্ষম হয়েছে। 'ভাত' কবিতাটাই দেখি-'আমি সেই ধানের গন্ধে মুখরিত হই/যা আমার মুখের ভিতরে বিস্তারিত হয়।' (ভাত, পৃ-৮৩)। ক্ষুধা, খাদ্য ও খাদ্য-নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা প্রভৃতি ধরা পড়েছে 'মুখরিত' ও 'বিস্ফোরিত' কবিতায়। কবি বলেন-'এই পা-দুটোর কোনো শারীরিক ভাষা নেই।/ পথের দিকে আজন্ম চেয়ে থাকে শুধু।' অনুমান করি কবি তাঁর বিশেষভাবে-সক্ষম স্ত্রী সঙ্গীতশিল্পী শ্রীমতী নবনীতা ভট্টাচার্যের কথা মনে রেখে এই কথা বললেও কথাটা পরাবাচনিক হয়ে সার্থক কবিতা হয়ে উঠেছে।

এখন একেবারে ইতির দিকে যাওয়া যাক। এই বইয়ের প্রচ্ছদ রূপকের প্রতিনিধিত্ব করছে। ইনস্টিটিউশনকে চ্যালেঞ্জ করছে! বলা হয় সংকেত শুরু হয় কবিতার প্রচ্ছদ থেকেই। এই বইয়ের প্রচ্ছদ লক্ষ করলে দেখা যায় স্কাল্পচারটা চুম্বনের। আসলে রাষ্ট্র এটাই চায় না, প্রতিষ্ঠান সমাজ সবসময়ই এটাকে আস্তরণে লুকিয়ে রাখতে চেয়েছে। কিন্তু কবি এটাকেই ভাঙতে চেয়েছেন। এরজন্য তিনি Gun এর লক্ষ্য অর্থাৎ গ্যান-পয়েন্টের শিকার! কিংবা এরকমও ভাবা যায়, ঐ চুম্বনকৃত মিলন থেকেই ছড়িয়ে পড়বে সাহস, ভালোবাসার আর্তি। বইয়ের গঠন বাইন্ডিং সহ যাবতীয় অন্যান্য কাজ মোটামুটি ভালোই লেগেছে। প্রচ্ছদ করেছেন অনিমেষ মাহাতো, প্রকাশনা- নীহারিকা পাবলিশার্স।
Edit
All rea
Praothers

No comments:

Post a Comment

অরণ্যের নির্জনতা, ধান ক্ষেতে রঙীন শোভা, মাদলের শব্দ এর মধ্যেই আমি এখনও ডুবে আছি' ‎

  'অরণ্যের নির্জনতা, ধান ক্ষেতে রঙীন শোভা, মাদলের শব্দ এর মধ্যেই আমি এখনও ডুবে আছি' ‎ ‎সত্তর দশকের উন্মাদনায় এক ভিন্ন উচ্চারণ-ভঙ্গ...