Saturday, January 18, 2025

বাংলা সাহিত্যে শঙ্খপল্লব আদিত্য এক বিশিষ্ট নাম -- তমালশেখর দে

 

# বাংলা সাহিত্যে শঙ্খপল্লব আদিত্য এক বিশিষ্ট নাম #
"সরলতাই কবিতার মূল গন্তব্য "



‘একজন কবিকে বুঝতে গেলে কী দরকার ?’ ঠিক এমনই একটি প্রশ্ন করেছিলাম ত্রিপুরার কবি-সম্রাট শঙ্খপল্লব আদিত্যকে । উত্তরে তিনি বলেছিলেন – ‘একজন কবিকে বুঝতে গেলে একান্ত প্রয়োজন পাঠকের পাঠ এবং তার জীবনবোধ । ... আমি বিশ্বাস করি, একজন প্রকৃত পাঠককে জ্ঞান মার্গের ভিতর দিয়ে দিয়ে অনুভবকে কাজে লাগিয়ে জীবনকে দেখতে হবে আগে । তারপর আসবে কবিতা । কবিতা-পাঠ। জীবনানন্দ যে হাজার বছর ধরে পথ হাঁটার কথা বলেন, এই হাঁটা অনুভবের হাঁটা । শিক্ষার হাঁটা ।’ আমি কবি শঙ্খপল্লব আদিত্যকে ঠিক এই জায়গা থেকে তাঁকে তুলে ধরতে চাই । এই ভাবনাকে মাথায় রেখে আমি তাঁর কবিতার বই ‘শঙ্খপল্লব আদিত্যের কবিতা’-র বইটি পড়তে শুরু করি । প্রথম কবিতার নাম – “ অস্ত্র তৈরির কাজ বন্ধ থাকে অলস মরশুমে” প্রথম লাইনেই কবি লিখছেন - “ নাইলন ছাতা হাতে বুকের ভেতর অবিকল হেঁটে যায় ডারলং রমণী / যেরকম চতুদর্শী জ্যোৎস্নায় রাস্তার পিচে বৃষ্টিগাছের ছায়া হৃদয়-আরক নিয়ে দুলে ওঠে / আমার ভেতরও শব্দের হাঁটাহাঁটি অনেকটা এরকমই/ কখন বা শব্দ বিশাল মিছিল-নিশান নিয়ে শব্দ করে / আমার খাবারের থালা গেভা মাংসের ঝোলে ছেয়ে যায় / আমি ফালি ফালি করে শব্দ দেখে যাচ্ছি, শব্দের ভেতর কোথায় শব্দ সোনালি-সরোদ” কবিতার নাম – ‘অস্ত্র তৈরির কাজ বন্ধ থাকে অলস মরশুমে’ । কবিতাটি প্রকাশিত হয় ‘নান্দীমুখ’ পত্রিকায় ১৯৭৪ সাল। কবিতায় বাক্যের প্রয়োগ এবং বাক্যশৈলীর ব্যবহার, বাক্যের গঠন, তার বিন্যাসের পদচারণ, গতি, বলার ঢং, উপস্থাপনার চমৎকারিত্ব, পাঠক হিসেবে আজও আমাকে উত্তেজিত করে তোলে । পাঠক লক্ষ করুন, কবি বলছেন – ‘নাইলন ছাতা হাতে বুকের ভেতর অবিকল হেঁটে যায় ডারলং রমণী’ । আমি প্রথমে অসাবধানবশত পড়ে ফেলেছিলাম - ‘নাইলন ছাতা হাতে হেঁটে যায় ডারলং রমণী’। এরপরই লক্ষ করি কবি এর ভিতরে জুড়ে দিয়েছেন –‘ বুকের ভেতর’, এরপরই লক্ষ করি ‘অবিকল’ শব্দটি । এবং তুলনা টানলেন কীভাবে দেখুন – ‘যেরকম চতুদর্শী জ্যোৎস্নায় রাস্তার পিচে বৃষ্টিগাছের ছায়া হৃদয়-আরক নিয়ে দুলে ওঠে’ । ‘চতুদর্শী জ্যোৎস্নায়’ ‘রাস্তার পিচে বৃষ্টিগাছের ছায়া’ ‘হৃদয়-আরক নিয়ে দুলে ওঠে’ একটি একটি করে এগুচ্ছেন কবি । বাক্য নির্মাণের কৌশল লক্ষ্য করুন সেই ষাটের দশকের কবির । কিন্তু মূল চমক লাগল এরপরই কবি এই নির্মাণচিত্র থেকে চট করে সরে গিয়ে কবি হঠাৎ করে বলে উঠলেন – ‘আমার ভেতরও শব্দের হাঁটাহাঁটি অনেকটা এরকমই’ । কীরকম রোমান্টিক সেই শব্দের হাঁটা । এখানে ‘শব্দ’টা একটা চরিত্রের মতো ধরা দিল আমার কাছে । এই ঝটকা দিলেন কবি! এই ব্যঞ্জনাকে, এই ব্যাপকতাকে, এই কৌশলকে, কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন আপনি ? এই রকম নির্মাণের উদাহরণ কী আজও দেখা যায় ত্রিপুরার ইতিহাসে ? কিংবা তথাকথিত সেই মূল স্রোতের কবিতা ধারায় ? যদিও আমি সেটা বিশ্বাস করি না । ত্রিপুরায় তখন তো গীতিকবিতার ঢল । কিছুটা ব্যতিক্রম ছিলেন প্রদীপ চৌধুরী, পীযূষ রাউত । কিন্তু তাদের নির্মাণ মোটামুটি কলকাতার একটা ধারাবাহিকতা বজায় ছিল । কিন্তু এখানে আশ্চর্যজনকভাবে শঙ্খপল্লব আদিত্য আজও ব্যতিক্রম । এরপরের দুই লাইনে কবি জীবনের সাধারণ চিত্রকল্প নির্মাণ করেন – ‘কখন বা শব্দ বিশাল মিছিল-নিশান নিয়ে শব্দ করে / আমার খাবারের থালা গেভা মাংসের ঝোলে ছেয়ে যায়’ শব্দের সাথে নাগরিক শব্দের তুলনা টানছেন । কিন্তু মূল বিষয় টানলেন এরপরই – ‘আমি ফালি ফালি করে শব্দ দেখে যাচ্ছি, শব্দের ভেতর কোথায় শব্দ সোনালি-সরোদ’ । এখানে কবি শব্দকে কীভাবে প্রথম থেকে একটা চরিত্রের ভিতর দিয়ে শেষে এসে আবার শব্দের ভিতরের সুরেলা সৌন্দর্যকে তোলে ধরলেন । দীর্ঘ এই কবিতার শৈল্পিক পরিক্রমা আরও দীর্ঘ । কবি এরপর কবি লিখছেন – “বিষাদ গাছের কোথায় ইউরেনিয়াম নারী ও লীলাঙ্গদা / বিদ্যুৎচ্চমকের মতো লুকিয়ে থাকে” । লাইনের নির্মাণটি আবারও লক্ষণীয়! আচ্ছা, এখানে কবি ‘বিষাদ’ শব্দের পর ‘ইউরেনিয়াম নারী’ ‘লীলাঙ্গদা’ ‘বিদ্যুৎচ্চমকের মতো’ এই শব্দকল্প গড়ে তুললেন কেন ? তাও আবার পুরো লাইনের চিত্রকল্পের ভিতরে ছোট্ট করে ঢুকিয়ে দিলেন – ‘কোথায়’ শব্দটি ? চমকের পর চমক । এই দীর্ঘ কবিতা নিয়ে পাতার পর পাতা আলোচনা করা যায় । কিন্তু আজকের বিষয় মূলত কবিতা নয় । আজকের বিষয়—কবি শঙ্খপল্লব আদিত্য এবং তাঁর ভাবনার জগত। আমি কবির সাথে ঘনিষ্ঠ এক মুহূর্তে জানতে জিজ্ঞেস করেছিলাম – “কবিতার বলা বা লেখার বিষয়টাকে আপনি কী টেকনিক মনে করেন ? না, একটা সরল উক্তি মনে করেন । উত্তরে বললেন – “টেকনিক তো অভ্যাস করতে করতে তৈরি হয় । প্রথম দিকে টেকনিকের প্রয়োজনীয়তা খুব বেশি । এরপর আর দরকার নেই । এরপর থেকে তার যাত্রা সরলতার দিকে । সরলতাই কবিতার মূল গন্তব্য । তখন কবি যা বলবে, তাই কবিতা হবে । তখন আর টেকনিক অর্থহীন হয়ে পড়ে । হৃদয়ের সমৃদ্ধির এক পর্যায়ে সবই কবিতা হয়ে যায় ।” তবে কী কবি এখানে বিষাদের ভিতরে ‘বিদ্যুৎচ্চমকের মতো লুকিয়ে’ কিছু লুকিয়ে রেখেছেন ? পরের লাইনে কবি দিব্যি উচ্চারণ করলেন – “সবলপুরুষ পরাজিত হলে মৌরি পাপড়ির মতো ছড়িয়ে পড়ে / নারীর আঁচলে” । কি অসাধারণ চিত্রকল্পের ব্যঞ্জনা । ‘সবলপুরুষ পরাজিত’ কখন পরাজিত হয় একজন নারীর কাছে ? শব্দ-যুগলের কী অসাধারণ তাৎপর্যময় চলন-গমন এবং বিস্তার । প্রশ্ন আসতেই পারে, এখানে বিস্তার কোথায় ? উত্তরে বলব - এই যে, এরপরই কবি লিখছেন – “মৌরি পাপড়ির মতো ছড়িয়ে পড়ে / নারীর আঁচলে”। কে পড়ল ? কেন ধরাশায়ী হয়ে পড়ে গেল সবলপুরুষ ? ছড়িয়ে পড়ল “মৌরি পাপড়ির মতো ? যত বিন্যাস করবেন, তত কবিতা খুলে খুলে ধরা দেবে আপনার অনুভবে। শব্দের ব্যঞ্জনায় । কবি যে আগে বলেছিলেন – “আমি ফালি ফালি করে শব্দ দেখে যাচ্ছি, শব্দের ভেতর কোথায় শব্দ সোনালি-সরোদ”। এই তো সেই ফালি ফালি করে দেখা । সরোদের মতো রাগের বিস্তার করা । শব্দের ভিতরে শব্দের চিত্রকে খোঁজা । কবির মতো খোঁজা । পাঠকের কাছে পৌঁছে দেবার প্রয়াস । আমি আবার কবি শঙ্খপল্লব আদিত্যের কাছে গেলাম – “আপনি কবিতার কথা গুলো তো আরও সরলভাবেও লিখতে পারতেন ? কিন্তু আমরা দেখি আপনি বেশ একটু জটিল পথই নিয়েছেন । এখানে রচয়িতা হিসেবে আপনার আনন্দ কোথায় ?” একটু হেসে উত্তরে বললেন – এটা আমার একটা নিজস্ব ঢঙ । আমার আনন্দ পরিপূর্ণতায় ।কবিতা যখন একটা ঘরের রূপ নেয়, তখনই আনন্দ হয় । তারপর ছন্দ, শব্দ তো আছেই । শব্দের তো নিজস্ব একটা ওজন আছে । প্রতিটি শব্দের ওজনগুলো যখন মিলে যায়, তখন ভালো লাগে । তখন মনে হয়, হ্যাঁ, এটা কবিতা হল ।” আমি জানতে চাইলাম - “আপনার কবিতা- জীবনে আসা কীভাবে ? চট করে তো আর এই জগতে আসা যায় না !” উত্তরে কবি বললেন - “আমি ক্লাস অষ্টম শ্রেণি থেকেই কবিতা লিখি । তখন থেকেই কবিতা আমার প্রাণ । পয়ার থেকে শুরু করে লঘু ত্রিপদী, দীর্ঘ ত্রিপদী, অমিত্রাক্ষর, এই সমস্ত টেকনিকের চর্চা আমার ছোটবেলা থেকেই শুরু । তখন সেগুলো যদিও কবিতা হয়ে উঠেনি, কিন্তু চর্চা হয়েছিল বটেই । পদ্য, ছড়া লিখেছি প্রচুর । তাছারা পরবর্তীতে তো রবীন্দ্র- নজরুল- জীবনানন্দ তো পড়েইছি । তারই একটা এফ্যাক্ট পড়েছিল আমার মধ্যে পড়েছিল।” আবারও জানতে চাইলাম – “আপনি বারবারই একটা বিষয়ে খুব জোর দিয়েছেন যে, বাংলা জানতে গেলে সংস্কৃত জানাটা কী ভীষণ প্রয়োজন ?” উত্তরে বললেন-- “আমি অন্তত তাই মনে করি । শব্দটা প্রাচীর হবে । সংস্কৃত থেকেই তো বাংলা এসেছে। ফলে সংস্কৃত জানা থাকলে, তোমার বাংলা শব্দের ব্যবহার তখন ক্লাসিক হবে । হতে বাধ্য । নাহলে বাংলা দুর্বল হবেই । কেননা, সংস্কৃত তো বাংলার মূল ভিত্তি। আর ইংরেজি সাহিত্য জানাটাও খুব প্রয়োজন । এই ভাষা জানলে বিশ্ব-পৃথিবীকে খুব সহজে জানা যায় ।” তখন জানতে চাইলাম -- “তাহলে দেখা যাচ্ছে, আপনার সংস্কৃত এবং ইংরেজি এই দুটো ভালো জানা এবং মনের আধুনিকতা এই তিনের সংমিশ্রণ আপনার ভাষাকে একটা ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পেরেছিল ? আপনি কি বলেন ?” উত্তরে শঙ্খপল্লব বললেন -- “আর হচ্ছে, জীবনকে কাছে থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া । জীবনবোধ, বোধের গভীর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা না- থাকলে, বাকি সব জেনেও সে ভালো একটা কিছু লিখতে পারবে না । সব বোধের সংমিশ্রণ ঘটাতে হবে । আমি আগে বললাম না, আমি আমার জীবনে কয়েক শো মাইল হেঁটেছি । হেঁটে হেঁটে কেবল জীবন দেখেছি । জীবনের বিস্তার দেখেছি । পায়ে না-হাঁটলে জীবনকে কাছে থেকে দেখা যায় না ।পায়ে হাঁটতে এমনিতেও আমার খুব ভালো লাগে । পর্যবেক্ষণ একটা বড় বিষয় । সব মিলেমিশে তবেই একটা ভালো কবিতা লেখা সম্ভব ।”
কবি শঙ্খপল্লব আদিত্যের কবিতা পড়তে গেলে, পরতের পর পরত খুলে খুলে এগোতে হবে । আবার নিছক কবিতার পর কবিতা পড়ে তাঁকে আবিষ্কার করাও মুস্কিল হয়ে পড়বে । কবির জন্ম ১৯৪৩ সালে পূর্ব বাংলার ময়মনসিংহ শহরে । ১৯৬৪ সালের দিকে স্নাতক স্তরের পাঠ অসম্পূর্ণ রেখে চলে ভূমি বিনিময়ের মাধ্যমে চলে আসেন ত্রিপুরায় । অর্থকরী সংকট মেটাতে শিক্ষকতাকে বেছে নিয়েছিলেন । পাশাপাশি সাংবাদিকতা তো ছিলই । কবিতা লিখেছেন প্রচুর । কিন্তু বই বের করার ব্যাপারে ছিল প্রবল অনীহা । তিনি বিশ্বাস করেন – ‘প্রকৃত কবিতা হলে, তা একদিন মাটি ফুঁড়ে বের হবেই !’ অথচ তাঁর ছিল ‘পিলাক প্রকাশন’ । অন্যান্য কবিদের কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেছেন পরম যত্নে । অথচ নিজের কবিতা প্রকাশ করলেন না । প্রবুদ্ধসুন্দর কর, সমরজিৎ সিংহরা জোর করে প্রকাশ না-করলে তাঁর একমাত্র চটি কবিতা পুস্ততিকাটিও প্রকাশিত হত না । তবে তাঁর প্রিয়জন আরেকজন প্রখ্যাত কবি- গল্পকার- উপন্যাসিক তথা “শঙ্খপল্লব আদিত্যের কবিতা” গ্রন্থের মূল রূপকার পল্লব ভট্টাচার্য ‘কেন এই কাব্য সংকলন’ এর এক অংশে মৌলিক কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করেন, যাতে তিনি লিখছেন – “তাঁর কবিতার বই, ছড়ার বই বেরুয়নি, কারণ তিনি কোনও গোষ্ঠীতে নেই । সভায় সমিতিতে অনুপস্থিতিতেই প্রায় অভ্যস্ত । প্রচার এবং পুরস্কার থেকে বহুদূরে থাকা স্পষ্টবাদী এবং অভিমানী একজন । ফলে এক ধরণের নৈঃশব্দ্যের শিকার হয়েছেন । তাঁর কবিতা সম্পর্কে প্রায় নীরব থাকতেই অনেকে পছন্দ করেছেন । অথচ এ রাজ্যে বা বাংলা সাহিত্যেও শঙ্খপল্লব আদিত্যের কবিতা প্রথম দৃষ্টিতেই স্বাতন্ত্র্যের দাবি রাখে ।... অন্তত তিনটি স্তর লক্ষ করা যায় তাঁর কবিতায় । প্রথম দিকে, যখন তিনি নৈরাজ্যপ্রবণ ও বিদ্রুপপ্রধান, দ্বিতীয় স্তরে তিনি ব্রাত্য অসহায়তায় আলোড়িত আর সামাজিক মানবিক অসংগতি ও বিচ্ছিন্নতার বিরুদ্ধে কোথাও একটা অস্তি খুঁজছেন , তৃতীয় স্তরে তাঁর কবিতায় দেখা দেয়, সমস্ত অসংগতির মধ্যেও পরমতার একটি অস্তিবিন্দু । ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, শঙ্খপল্লব আদিত্যের কবিতায় রয়েছে, ত্রিপুরার বাংলা কবিতার মূলসুর।”
কবি শঙ্খপল্লব আদিত্য সত্যি অর্থেই আমাদের ত্রিপুরা রাজ্যের কবি- সম্রাট । আমরা নতজানু তাঁর কবিতা ভাবনা, তাঁর চিন্তা জগত, তাঁর স্পর্ধা এবং আপোষহীন এক ব্যক্তিত্বের সামনে ।






No comments:

Post a Comment

অরণ্যের নির্জনতা, ধান ক্ষেতে রঙীন শোভা, মাদলের শব্দ এর মধ্যেই আমি এখনও ডুবে আছি' ‎

  'অরণ্যের নির্জনতা, ধান ক্ষেতে রঙীন শোভা, মাদলের শব্দ এর মধ্যেই আমি এখনও ডুবে আছি' ‎ ‎সত্তর দশকের উন্মাদনায় এক ভিন্ন উচ্চারণ-ভঙ্গ...