Wednesday, June 19, 2024

চিত্রশিল্পী সমর মজুমদার

 

 


 বাংলাদেশের অগ্রগণ্য চিত্রশিল্পীদের মধ্যে সমর মজুমদার অন্যতম একজন। তিনি তাঁর  চিত্রকর্মে লোকশিল্পকে দিয়েছেন লোভনীয় এক মায়াবীমাত্রা ।  তাঁর সাথে একান্ত আলোচনায় তমালশেখর দে ।   

ক্যানভাসে গ্রামবাংলা বেছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে সমর মজুমদার বহু আগেই বলেছিলেন, “আমার স্নেহ, অনুরাগ, প্রতিবাদ বা দুঃখের অনুভূতি-সবই বাংলাদেশের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। আমার অন্তঃসম্পর্ক অনেক সাধারণ ও জীবন্ত, যেটা আমি আমার ক্যানভাসে ধারণ করি এবং বিশ্বাস করি এটি দর্শকদের জন্য বোধগম্য হবে। আমি প্রথম দিনই চিত্রী সমর মজুমদারের ছবি দেখে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যাই । এত চেনা। এত কাছের, এত আপন মনে হল ছবিগুলোকে।  এরপর বাংলাদেশের আরেক প্রখ্যাত শিল্পী চারুপিন্টু- দার সহায়তায় শিল্পীর সাথে যোগাযোগ তৈরি করিএবং এক পর্যায়ে সাক্ষাৎকার নেয়ার বাসনাটা ব্যক্ত করি । শিল্পীও তাঁর অমায়িক ব্যবহারে আমাকে কাছে টেনে নেন সহজেই। এতে আমার খুব সুবিধা হয় । আমার ইচ্ছেটাও পূর্ণ হয় । সাক্ষাৎকার দেবার জন্য ধন্যবাদ স্যার।

 

 

 “সরলতা ছাড়া  বৃহত্তর বাংলা জনগোষ্ঠির জীবনধারাকে ফুটিয়ে তোলা অসম্ভব 

 

প্রশ্ন ঃ আপনার ছবিতে বাংলার বিচিত্র জীবন চিত্রিত হয়ে থাকে তার নানা অবর্ণনীয় রূপ-সজ্জার অপার সৌন্দর্য নিয়ে আপনি নিজেও বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের শিল্পী বাংলার ছবি আঁকি’। আপনার এই দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে উঠার প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রথমেই কিছু জানতে চাই।

উত্তর ঃ  আমি বাংলার লোকসংস্কৃতির এক মায়াবী আবহে বেড়ে উঠেছি । আমার শৈশবের একটা বড় সময় কেটেছে নানা পূজা-পার্বণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্বাদ-আস্বাদনে। গান-নাটক- ছবি আঁকা এ-সবের মধ্যে দিয়েই বড় হয়েছিস্কুলের সময়টুকু বাদ দিয়ে সারাদিন কাটতো প্রতিমা তৈরির শিল্পীদের সাথে । সারা বছর ধরে মায়ের জন্য ষষ্টি মা  তার জন্য কালো বেড়াল, ধলা বেড়াল বানাতাম । টেপা পুতুলের অবিকল নকল করতাম । ফরমায়েশ আসতো দিদিদের চুলা বানিয়ে দেবার জন্য । এভাবে কখন যে সুন্দর আমার মনে বাসা বেঁধেছে জানি না । আমার অভিবাবকদের প্রশ্রয় ছিল । মনে পড়ে ঘরের দেয়ালে কাচ বাঁধাই কিছু ক্রস স্ট্রিচের হাতের কাজ ছিল, যেমন- গোলাপ ফুল, গৌরনিতাই এসব গোলাপের পাশে লেখা ছিল ‘সুখে থাকো’ । একসময় জানলাম এইসব  আমার মায়ের বিয়ের আগের হাতের কাজ ।  মা যখন গর্বভরে তাঁর কাজগুলো অতিথিদের দেখাতেন, তখন গর্বে আমারও মনটা ভরে উঠতো ।

রুমালের কোণায়, বালিশে ছবি এঁকে  দেবার জন্য নানা অনুরোধ আসতো মায়ের কাছে । ক্রমে কখন যে মায়ের জায়গাটা আমার হয়ে গেল আজ আর মনে নেই । আমি তোরঙ্গে আঁকা লতা, অর্ণামেন্টের প্রজাপতি, রিক্সা বা ট্রাকে আঁকা ফুল চোখে বয়ে নিয়ে বাড়ি আসতাম কপি করার জন্য । পরিবারে অভাব ছিল রঙ, কাগজের তখন অনেক দাম। তাই কাঠ-কয়লা দিয়ে দেয়ালে আঁকতাম দেবী দুর্গা ও তার চালচিত্র আপন মনে আমার মতো করে আঁকতাম।

একদিন হঠাৎ করে মনে হল, এতদিন আমি দৃশ্যমান  যা কিছু দেখতাম সব স্বপ্নে দেখতাম। এখন কেমন ত্রিমাত্রায় দেখছি । আমি গাছকে ছুঁয়ে দেখতাম । ঘরটাকে ছুঁয়ে দেখতাম । আমি এটাকে এক নতুন খেলা হিসেবে পেয়ে গেলাম । রূপকথার গল্প আমাকে খুব ভাবাতো আমার কল্পনাকে উস্কে দিত। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় অশ্বপিঠে রাজিয়া সুলতানার ছবি এঁকে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলাম । সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় পৌরসভার প্রার্থীর পোস্টার ও ব্যানার আঁকার দায়িত্ব পাই ।এভাবেই ছবি আঁকতে আঁকতে আমার বেড়ে ওঠা । তখন আমার চোখে রাক্ষসের মতো ক্ষুধা ছিল । প্রাকৃতিক দৃশ্য, বইয়ের ইলাস্ট্রেশন পাগলের মতো আমাকে টানত ।

 





প্রশ্ন ঃ ‘মৃত্তিকামায়া’ ‘মা’ ‘ঘুম নেই’ ‘পিতা’ ‘ছায়া এবং সখি’ ‘কানাই’ ‘নকশিকাঁথা’ – আপনার ছবির টাইটেলগুলোও বড় মায়াবী, মরমিয়াআপনার ছবির  এইসব প্রেক্ষাপট অঙ্কনের দৃষ্টিকোণ নিয়ে আমাদের কিছু বলুন

উত্তর ঃ  সেই অর্থে, এখানে আমার  দৃষ্টিকোণ খুব সহজ-সরল। তাই নামগুলোও এমনই নির্বাচন করে থাকি। সাধারণ মানুষের ছবি সাধারণ আর্টের ভাষায় প্রকাশিত হবে, এটাই আমি   চাই । আমরা তো জানি, যা আঁকা থাকে ছবিতে, বা যা লেখা থাকে কবিতায়, আর্ট কিন্তু সেখানে থাকে না । আর্ট থাকে তার অন্তরালে   আর্ট এটাকে শুধু ভর করে থাকেসরলতাই এখানে সবচেয়ে বড় সম্পদ । আমার মনে হয়, সরলতা  ছাড়া  বৃহত্তর জনগোষ্ঠির জীবনধারাকে ফুটিয়ে তোলা অসম্ভব । দুর্বোধ্যতা এড়িয়ে যে-কেউ এখানে প্রবেশ করতে পারবেগ্রহণ করতে পারবে ছবির স্বাদ, বিষয় । তার মায়াময় প্রক্ষাপট। এরজন্য তাকে জহুরি হতে হবে না । জানতে হবে না, ছবির জটিল সব পরিভাষা ।   

 প্রশ্ন ঃ  আপনার ছবিতে পল্লীজীবনের একাকীত্ব, হতাশা, মাড়ুলভাঙা পুরুষ বা নারীর ছবিতে খুব একটা দেখা যায় না। গ্রামীণ জীবনের ক্লান্তি-দুর্দশাকে আপনি কীভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন? তাদের কান্না-বেদনা...

উত্তর ঃ স্মৃতি থেকে আঁকা আমার শৈশবের মানুষগুলি সততই সুখি মানুষ ছিল । দুঃখ তো নিশ্চয়ই ছিল । কিন্তু তা আমি ভাবতে চাই না । পাকিস্তান আমলে বাঙালির লোকশিল্প চর্চাকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়া হত না । আমার মধ্যে যা-কিছু বিকশিত হয়েছে তা অনেকটাই আনমনে । লোকশিল্প ও ভারতীয় অভিজাত শিল্পকে আমি যেটুকু চিনেছি এবং মনে প্রাণে গ্রহণ করেছি তা আরও অনেক পরে ।  

আমরা লোক সংস্কৃতির অনেক কিছু হারিয়ে ফেলেছি । এখন বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে যাত্রাপালা হয় না। পুতুলনাচ হয় না । সরাচিত্র, রসেরহাঁড়ি, শীতলপাটি, নকশি কাঁথা, কত কিছুই তো আর হয় না । আমাদের যেভাবে চারুকলার শিক্ষা হয়েছে, তা মূলত পাশ্চাত্য শিক্ষা । কাজেই আমরা খুব স্বাভাবিকভাবেই অঙ্কন পদ্ধতি ও উপকরণে পাশ্চাত্য ধারাই গ্রহণ করেছি এবং সেভাবেই আমরা ছবি আঁকি ।আগেও বলেছি, বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমি ব্যক্তিগতভাবে বেছে নিয়েছি বাংলা ও বাঙালিকে । বিখ্যাত চিত্র সমালোচক ও বিশিষ্ট বন্ধু মঈন উদ্দিন খালেদ বলেন – ‘ আমার ছবিতে ত্রিধারা বহমান।’ হেবেল  সাহেব নাকি ভারতীয় শিল্পীদের পশ্চিমমুখী না-হয়ে নিজের মাটিতে দাঁড়াতে বলতেন । যার ফলশ্রুতিতে আমরা পেয়েছি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নন্দলাল, রামকিঙ্কর, যামিনী রায়। পরবর্তীতে কামরুল হাসান, এস এম সুলতান প্রমুখ শিল্পীদের ।  আমি একটা সরকারি চাকরি পেলাম সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫-টা পর্যন্ত। লোকশিল্প সংগ্রহ এবং গবেষক  শিল্পী কামরুল হাসানের পরিচালনায় এবং তার অধীনে চাকরি  আমাকে খুব প্রভাবিত করে সারাদেশ ঘুরে ঘুরে লোকশিল্প দেখা, সংগ্রহ করা এবং এসব নিয়ে পরে গবেষণা করার সুযোগ পেতাম ।  শিল্পী কামরুল হাসান ছিলেন এর  প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালকআমাদের এত প্রচেষ্টার পরও কিন্তু  আমাদের দেশে পশ্চিমী ছবির প্রভাব এড়ানো যায় নি । পাকিস্তান আমলে নাকি জোর করে শিল্পধারাকে পশ্চিমীকরণের একটা  সরকারি প্রচেষ্টা থাকতো । বাংলার আলো বাতাস, পরিবেশ, মানুষের পারস্পারিক সম্পর্ক ইত্যাদি গভীর মমতায় আমাকে টেনে ধরে। আমি নিশ্চল হয়ে বসে পড়ি  এইসব ধারায়  







প্রশ্ন ঃ আপনার  গ্রামীণ ছবিতে আপনার কল্পনায় আঁকা একটা নিজস্ব গ্রাম দেখতে পাই । সেই গ্রামীণ জীবনকেই আপনি সাজান আপনার মতো করে । এ-ব্যাপারে আমাদের কিছু বলুন

উত্তর ঃ  আমি আমার ফেলে আসা  সেইসব গ্রামকে ছবিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করি  বারবারইএখনকার গ্রামে কোনো বাঁশের সাঁকো নাই । মাটির ঘর, লাঙল-জোয়াল, ঢেঁকি কিছুই নাই । বাধানো নদীগুলোকে আমার কেমন যেন বড় আকারের নর্দমার মতোই মনে হয় । সেখানে কোনো পাল তোলা নৌকা চলে না । সব যান্ত্রিক ইঞ্জিন । আমি আমার ফেলে আসা ছোটোবেলার গ্রামকে ভালবাসি, যেখানে দারিদ্র হয়ত ছিল । কিন্তু তার পাশাপাশি মমতাও ছিল । আমার ধারণা এখনকার গ্রামগুলি  আধুনিক হয়েছে হয়ত,  কিন্তু সেই সাথে তাদের জীবনে জটিলতাও বেড়েছে সমান তালেএখন গ্রামে কোনো নাটক, যাত্রা, থিয়েটার, কবিগান, গ্রামীণ মেলা কিছুই হয় না । কামার কুমোর তাঁতি এদের জীবন আজ বিপন্ন । শিল্প বিপ্লবের পরে সারা পৃথিবীতে যখন লোক সংস্কৃতির উপর বিপর্যয় নেমে এলো । তখন এক শ্রেণির সমাজবিজ্ঞানী চিন্তিত হয়ে পড়লেন তারা প্রস্তাব তুলেছিলেন গ্রামের লোকসংস্কৃতির পুনঃজাগরণের । কারণ লোকসংস্কৃতি গ্রামের প্রাণ এ-সংস্কৃতির অনুপস্থিত মানে তাদের মনের আকাশকে অবরুদ্ধ করে রাখা । এর পরিণতি ভয়াবহ ।

 






প্রশ্ন ঃ এবস্ট্রাক্ট বা  বিমূর্ত ফর্মের কাজ আপনার ক্ষেত্রে দেখা যায় না । এই ফর্ম নিয়ে আপনার ব্যক্তিগত ভাবনা জানতে চাই। বিচ্ছিন্নতা, ভঙ্গুর সময়কে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করতে চাইবেন, আপনার ছবিতে ।

উত্তর ঃ বিমূর্ত ছবি বলতে কিছু নাই । যাকে আমরা বিমূর্ত বলি, আমার কাছে তা ভাষার উপস্থাপনার  ভিন্নতা মাত্র । কে তার বক্তব্যকে কোন ভাষায় তুলে আনবে, সেটি শিল্পী নিজে নির্ণয় করবেন । অনেকে ঐতিহ্যকে আধুনিক ফর্মে তুলে আনার চেষ্টা করছেন । আমার কর্মধারা সব সময় যে এর বাইরে ছিল তাও নয় । আমি দেখেছি, ঐতিহ্যকে তথা বৃহত্তর জনগোষ্ঠির জীবনধারণ, জীবনাচার, তাদের সরলতা, মায়া, মমতা, প্রাণকে বিমূর্ততায় বা আধুনিকতায় ধরতে গেলে, কোথায় যেন সেটি তার  মূল জায়গা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় । এতোটা বিচ্ছিন্নতা আমি ইচ্ছে করেই চাই না ।  

 প্রশ্ন ঃ প্রচ্ছদ নিয়ে আপনার দীর্ঘযাত্রা রয়েছে । ইদানিং প্রচ্ছদ কম করছেন লক্ষ্য করছি । আপনি কি প্রচ্ছদ থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন ?

উত্তর ঃ শুধু ছবি আঁকা দিয়ে বেঁচে থাকার কথা আজ থেকে চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর আগে যুদ্ধ বিদ্ধস্ত দেশে কেউ ভাবতেই পারতো না ।  সকাল ১০ থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত কাজের পর যেটুকু সময় পেতাম, এখন প্রচুর লে-আউট করতাম । বুক-কাভারের অনুরোধ এলে তা থেকে কাজে লাগাতাম । দীর্ঘদিন ব্লক প্রিন্ট পদ্ধতি চলার পর হঠাৎ করে ঝড়ের গতিতে পাল্টে গেল সবতখন সারারাত জেগে কম্পিউটার ঘাটাঘাটি করে ডিজাইন  বদল করি, আর  নিজে নিজেই  অবাক  হইএভাবেই একসময় ভীষণ জনপ্রিয় গেলাম







প্রশ্ন ঃ অনেকে মনে করেন, প্রচ্ছদচিত্রের মাধ্যমেও শিল্পসত্ত্বা প্রকাশ করা যায় । আপনি তার সাথে একমত পোষণ করেন ?

উত্তর ঃ না, এক্ষেত্রে বিনয়ের সাথে বলবো,আমি এক মত নই । প্রচ্ছদ এক ধরণের চাহিদা ভিত্তিক কাজ। তাই এ-ধরণের কাজে এক ধরণের পরাধীনতা থেকেই যায় । যেমন – আকৃতির সীমাবদ্ধতা, রঙের সীমাবদ্ধতা, সামর্থের সীমাবদ্ধতা ইত্যাদি । মুদ্রণ যন্ত্রের পারিপাট্যতা তদুপুরি, যেহেতু এটি একটি ডিজাইন, এর গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হয়  উদ্যোক্তার  উৎকর্ষতার বাণী, গ্রাহকের কাছে   সচতুরভাবে পৌঁছে দেয়াই এর প্রধান কাজ । দীর্ঘদিন প্রচ্ছদ-অলঙ্করণ শিল্পে কাজ করার পর, এক সময় সিদ্ধান্ত নিলাম, এখন ছবি আঁকাতেই মন দেবো । যা একান্তভাবে আমাকে প্রতিনিধিত্ব করবে । সেই ভাবনা থেকেই ছবিতে পুরোপুরি মন দিলাম ।    

প্রশ্ন ঃ একই বঙ্গ ইতিহাসের নির্মমতায় আমরা বিচ্ছিন্ন। ত্রিপুরার শিল্পীদের কাজ দেখা হয় ? কেমন লাগে আপনার ?

উত্তর ঃ দুঃখজনক হলেও ত্রিপুরার শিল্পীদের কাজ খুব একটা দেখার সুযোগ এখনও হয়ে ওঠেনি। ত্রিপুরার চারু-কলা বিভাগের অনেক নামডাক শুনেছি । বাংলাদেশের প্রথিতযশা শিল্পিরা বেশ কয়েকবার সেখানে আর্ট ক্যাম্পে অংশগ্রহণ ও প্রদর্শনী করেছেন । এই ধরণের শৈল্পিক আদান-প্রদান খুবই প্রয়োজন । ফেইসবুকের কল্যাণে কিছু কাজ দেখি ভাল লাগে ।

 

 







No comments:

Post a Comment

অরণ্যের নির্জনতা, ধান ক্ষেতে রঙীন শোভা, মাদলের শব্দ এর মধ্যেই আমি এখনও ডুবে আছি' ‎

  'অরণ্যের নির্জনতা, ধান ক্ষেতে রঙীন শোভা, মাদলের শব্দ এর মধ্যেই আমি এখনও ডুবে আছি' ‎ ‎সত্তর দশকের উন্মাদনায় এক ভিন্ন উচ্চারণ-ভঙ্গ...